
মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনায় দু পক্ষের বক্তব্য এবং ইউনিয়ন পরিষদের আশপাশে ব্যবসা পরিচালনা কারীদের মতামত শোনার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী,দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টা পাল্টি অভিযোগ ও একে অপরকে দোষারোপের চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সামাজিক মর্যাদাও ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে আলোচনায় বিছানার ওপর কনডমের প্যাকেট রাখার বিষয়টি এবং একজন বয়স্ক নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগের কথাও উঠে এসেছে।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি।
ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে যেন কাউকে অন্যায় ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা না হয়,সেদিকেও সবার সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের মতে,যদি দুই পক্ষের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত বা অভ্যন্তরীণ বিরোধ থেকে থাকে,তাহলে সেটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় সমাধান করা উচিত।
সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে পাল্টা পাল্টি অভিযোগ তোলা বা একে অপরের সম্মান হানি করা কোনো ভাবেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে পারে না।
সমাধান হোক আলোচনায়,অপপ্রচার বা পাল্টা পাল্টি অভিযোগে নয়।
এ অবস্থায় বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,সংশ্লিষ্ট সদস্য এবং উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
প্রয়োজনে নিরপেক্ষ গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিদেরও আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
সামাজিক শান্তি,পারস্পরিক সম্মান এবং ইউনিয়ন পরিষদের মর্যাদা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।
সম্পাদনা নোট অভিযোগ গুলো স্বাধীন ভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে প্রকাশ না করে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত বলে এলাকাবাসী মনে করেন।
কার্যালয়: তালুকদার ভবন, ৩য় তলা, বাংলাবাজার ভোলা। ০১৮৮৫৫২১৪৮৪
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ।