
মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজার সদরের আদর্শ গ্রামে ৯৯ বছরের লিজকৃত ৭০ শতক খাস জমি নিয়ে রহস্যজনক জটিলতা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ভুক্তভোগী মোঃ সজ্ঞব খান মুকিদের পিতা মৃত সদর খানের নামে ৪৮/৯১ ও ৪৩/৯০-৯১ নং বন্দোবস্ত মূলে জে.এল নং-৯৫, দাগ-১০৯৫ এ ০.৭০ একর জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। কিন্তু আরএস জরিপে জমিটি ভুলবশত ১নং খাস খতিয়ানে রেকর্ড হয়ে যায়।
এ নিয়ে দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন করলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে (স্মারক নং-১৯৩১, তারিখ-১৭.আগস্ট.২০২৫) সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুৎফুন নাহার শারমীন ০১/জানুয়ারি/২০২৬ তারিখের সাক্ষরিত (স্মারক নং-৩১.৬০.৫৮৭৪.০০১.০৫.০০৩.২৫-০৬) একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
প্রতিবেদনে তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেন: "আবেদনকারীর পিতার অসুস্থতার জন্য স্থানান্তরে থাকলে এবং পরবর্তীতে পিতার মৃত্যুর পর বাড়িতে গেলে বিবাদী ১। সাত্তানুর মিয়া ২। মোঃ আনিস মিয়া সাং বিননিগ্রাম বাড়িতে প্রবেশ করতে বাধা প্রদান করেন।"
ভূক্তভোগীর অবিযোগ শুধু "আরএস জরিপে নালিশি জমি ১নং খাস খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত তাই আবেদনকারীকে সর্বশেষ রেকর্ড হালনাগাদের জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়" বলে দায় সারেন।
অভিযোগ উঠেছে, প্রতিবেদনে বিবাদীদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দেশনা না থাকার এই সুযোগে বিবাদী পক্ষ নালিশি জমিতে জোরপূর্বক পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেন।
এই পরামর্শ মোতাবেক ভুক্তভোগী গত ২২.জুলাই.২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসক বরাবর আরএস রেকর্ড হালনাগাদের জন্য লিখিত আবেদন করেন। RDC শাখা আবেদনটি গ্রহণও করে। কিন্তু অভিযোগ, এরপর ২ মাস অতিবাহিত হলেও সংশ্লিষ্ট শমসেরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার অযৌক্তিকভাবে ফাইলটি আটকাইয়া রাখিয়াছেন।
ভুক্তভোগীর প্রশ্ন, প্রতিবেদনের পরামর্শ অনুযায়ী হালনাগাদ করতে গেলে যদি তহসিলদারই ফাইল আটকে রাখে, তাহলে তিনি যাবেন কোথায়? এতে একদিকে তিনি জমিতে উঠতে পারছেন না, অন্যদিকে সরকারও খাজনা ও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক, ভূমি মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী।
Publisher & Editor: Bahadur Chowdhury
Mobile: 01323002377
Editorial & Commercial Office: Chowdhury Complex, Chairman Bazar, Char Fasson, Bhola
Mobile: 01323002377
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ।