নিজস্ব প্রতিনিধি (বরিশাল)
ভোলা থেকে গ্যাস দেশের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। আবার সিলিন্ডারজাত জ্বালানি হিসেবে সেই গ্যাসই ভোলায় ফিরে আসছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—ভোলার মানুষকে কেন সেই গ্যাস অতিরিক্ত দামে কিনতে হচ্ছে?
অনুসন্ধানে অভিযোগ উঠেছে, বরিশাল থেকে গ্যাসের খালি গাড়ি আসা-যাওয়ার সময় লাহারহাট ফেরিঘাটে প্রতি ট্রিপে ৩০ থেকে ৩৪ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়। এ অর্থ সরকারি নির্ধারিত ফেরি ভাড়ার বাইরে কি না, কত টাকার রসিদ দেওয়া হয় এবং প্রকৃতপক্ষে কত টাকা সরকারি রাজস্বে জমা হয়—তা তদন্তের দাবি রাখে।
অভিযোগ সত্য হলে এর প্রভাব সরাসরি পড়তে পারে গ্যাসের পরিবহন ব্যয় ও সাধারণ ভোক্তার ওপর।
প্রশ্ন হলো—এই অতিরিক্ত অর্থ কার কাছে যাচ্ছে? সরকারি রাজস্বে কত টাকা জমা হচ্ছে? আর কোনো অনিয়ম বা অর্থ ভাগাভাগি হচ্ছে কি না?
আরও উদ্বেগের বিষয়, এ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশের পর সহকারী ম্যানেজার মমিনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের ফোন করে রাজনৈতিক নেতা ও BIWTC চেয়ারম্যানের নাম উল্লেখ করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ প্রকাশ হলেই যদি গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চাপ বা হুমকি আসে, তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—এর পেছনে কার স্বার্থ জড়িত?
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি—ফেরিঘাটের আদায়, রসিদ, সরকারি রাজস্ব জমা এবং কথিত অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য জনগণের সামনে তুলে ধরা হোক।
এটি কেবল শুরু। অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে।
জনস্বার্থে প্রশ্ন উঠবেই।
সত্য উদঘাটন না হওয়া পর্যন্ত অনুসন্ধান চলবে।
#ব্রেকিং_নিউজ #ভোলা #গ্যাস #অনুসন্ধান #জনস্বার্থ #দুর্নীতি_অনুসন্ধান
Publisher & Editor: Bahadur Chowdhury
Mobile: 01323002377
Editorial & Commercial Office: Chowdhury Complex, Chairman Bazar, Char Fasson, Bhola
Mobile: 01323002377
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ।