
বাহাদুর চৌধুরী :
ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলা-এ মানসিক ভারসাম্যহীন এক অসহায় নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে জনমত।
এই ন্যাক্কারজনক, পাশবিক ও মানবতাবিরোধী ঘটনার তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন-এর চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, ঢাকা প্রেসক্লাব-এর সভাপতি আরঙ্গজেব কামাল এবং ভোলা জেলা শ্রমিক পার্টি-এর সভাপতি আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন চকেট।
নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন—
“তজুমদ্দিনে একের পর এক নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সঠিক বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এই নীরবতা ও শিথিলতা অপরাধীদের সাহস জুগিয়েছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—এবার আর কোনো ছাড় নয়।”
তারা আরও বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন এক অসহায় নারীর ওপর এ ধরনের পাশবিক নির্যাতন শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। সমাজের বিবেক আজ প্রশ্নবিদ্ধ—কোথায় আমাদের নৈতিকতা? কোথায় আইনের কঠোর প্রয়োগ?
আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন সহ নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন—
অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করতে হবে।
দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।
মানবাধিকার চেয়ারম্যান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন
“যদি দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি না হয়, তবে মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও শ্রমিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”
আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন বলেন, অসহায় মা-বোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। প্রশাসনের গাফিলতি বা শৈথিল্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
তারা জোর দিয়ে বলেন—
“নারীর সম্মান রক্ষায় আমরা আপসহীন। অপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব।”
এদিকে দৈনিক দক্ষিণের অপরাধ সংবাদ এ-র সারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা বলেন এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি এলাকার নয়—এটি পুরো জাতির লজ্জা। এখনই সময় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার। অন্যথায় ইতিহাস ক্ষমা করবে না।
Leave a Reply